রবিবার , ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ

সঠিক পরিকল্পনার অভাবে বিকশিত হচ্ছে না পর্যটনশিল্প

খুলনা মহানগরীর মুজগুন্নীতে বছরের পর বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের প্রায় পাঁচ একর জমি। সেখানে কোনো হোটেল-মোটেল গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি আজও। অথচ বেসরকারি খাতে নগরীর বৈকালীসহ বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠছে সুউচ্চ ভবন, পরিচালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের হোটেলও।

ফলে প্রশ্ন উঠছে—সরকারি উদ্যোগে খুলনার পর্যটন শিল্পের বিকাশ কেন থেমে আছে?অন্যদিকে, সুন্দরবনকে ঘিরে রয়েছে যথেষ্ট সম্ভাবনা।শুধু বনভ্রমণই নয়, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদকেও কাজে লাগিয়ে সরকার প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব আয় করতে পারে। কিন্তু পরিকল্পনার অভাবেই সম্ভাবনাগুলো রূপ পাচ্ছে না বাস্তবে।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খুলনা-নলিয়ান ১০০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ এবং মুজগুন্নীর জমিতে পরিকল্পিত হোটেল নির্মিত হলে পুরো অঞ্চলের চিত্র পাল্টে যাবে। সুন্দরবনকে ঘিরে যেসব সংকট রয়েছে, সেগুলোর সমাধান হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটনের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠতে পারে খুলনা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাসার বলেন, সড়কটি হলে শুধু পর্যটন নয়, এখানকার মানুষের জীবনমানও বদলে যাবে। খুলনায় সহজে যাতায়াত করা যাবে, স্বাস্থ্যসেবা নিতে সুবিধা হবে।’

খুলনা রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হোসেন শাওন বলেন, ‘দাকোপেই সুন্দরবন লাগোয়া ১২টি ইকো কটেজ রয়েছে। এছাড়া খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ২৩টি ইকো রিসোর্ট গড়ে উঠেছে।

যেখানে পর্যটকরা কাছ থেকেই এমনকি দিনে-রাতে সুন্দরবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন। সড়ক উন্নয়ন হলে খুলনা থেকে পর্যটকরা সহজেই যাতায়াত করতে পারবেন। পাশাপাশি কটেজগুলো আইনি স্বীকৃতিও পাবে। বন বিভাগ ও পরিবেশ দপ্তরের দ্বন্দ্বে বর্তমানে উদ্যোক্তারা স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে, খুলনায় সরকারি পর্যটন করপোরেশনের সম্পত্তি অযত্নে ফেলে রাখা হলেও বেসরকারি পর্যায়ে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠছে। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে বিশ্বমানের পর্যটন গড়ে তোলার উদ্যোগ কবে নেবে সরকার?

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিত সড়ক উন্নয়ন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুলনা হতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। অন্যথায় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পর্যটন শিল্প থেকে খুলনা বঞ্চিতই থেকে যাবে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা, পরিসংখ্যান ও প্রশিক্ষণ) মো. জিয়উল হক হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, মুজগুন্নিতে করপোরেশনের যে পাঁচ একরের মতো জমি আছে, সেখানে পিপিপির (সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব) আলোকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে হোটেল ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় এখন সেখানে বিদেশি বিনিয়োগে কিছু একটা করার পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুতই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

 

উত্তর অঞ্চলকে মানুষ মঙ্গা এলাকা বলে থাকেন, কিন্তু বাস্তবে এটি তো অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা নীলফামারীতে তারেক রহমান

উত্তর অঞ্চলকে মানুষ মঙ্গা এলাকা বলে থাকেন, কিন্তু বাস্তবে এটি তো অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা নীলফামারীতে তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন নীলফামারীকে আধুনিক জেলা হিসেবে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষ কৃষিজীবী, তাই কৃষি প্রধান এলাকা...

প্রবীণ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল আর নেই

প্রবীণ সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল আর নেই

চির নিদ্রায় শায়িত হলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাব ও...

Ad For Sangbad mohona