ঢাকা জেলার আশুলিয়ার ভাদাইল উত্তর পাড়া সাধু মার্কেট এলাকার মোছাঃ বিউটি আক্তার(৪২),স্বামী-মো. মিজানুর রহমান,বাদী হয়ে ২৬/০১/২৬ ইং তারিখে ডিজিটাল অপরাধ সংক্রান্ত মামলায়(মামলা নং ৭৯) মো.পিলু(২৮) পিতা- মো.বিশুকে ২ নং আসামি হিসেবে উল্লেখ্য করে আশুলিয়া থানায় মামাটি রজু করেন। এ সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযুক্ত পিলু কিছুই জানে না ও এঘটনার সাথে জড়িত নয় বলে দাবি পিলুর পরিবার এবং স্বজনদের।
পরিবারের ভাষ্যমতে, পিলু একজন পোশাক কর্মী। সে প্রতিদিন কারখানায় যায় কাজ শেষে বাসায় ফেরেন। মামলায় উল্লিখিত ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না ও ঘটনার সাথে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে তাদের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার ১ নং অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে ২ নং অভিযুক্ত পিলুর সম্পর্ক প্রতিবেশি এবং বাদী বিউটি আক্তারের স্বামী মিজানুর রহমানের আপন ভাগিনা পিলু। তবে মামলার বাদীপক্ষের পরিবারের সঙ্গে ২ নম্বর অভিযুক্ত পিলুর জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পূর্ব-বিরোধের জের ধরেই মূল ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও তাকে উদ্দেশ্য প্রমোদিত ভাবে পিলুকে এমামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।
মামলার বাদী বিউটি আক্তার ও তার স্বমী মিজানুর রহমান দির্ঘদিন দরে পিলুদের জমি দখলের চেষ্টা করে আসছে এবং স্থানীয় লোকজন প্রায় ১০ থেকে ১২ টি সালিশ করেছে কিন্তু মামলার বাদী বিউটি আক্তার স্বমী মিজান রহমান কোনভাবেই রাজি নয়।
আরও জানাযায়,মামলার বাদী বিউটি আক্তার ও আসামিরা একই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় ও পরবর্তী সময়ে ২ নম্বর আসামির পিলুর স্বাভাবিক চলাফেরা এবং কর্মজীবন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন স্বজনরা।
অভিযুক্ত ২ নং আসামির পিলুর পরিবার দাবি , প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে সে নির্দোষতা প্রমাণিত হবে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে মামলার বাদী বিউটি আক্তারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ও তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
শেয়ার করুন :










